রাজনৈতিক DNA পরিবর্তনের এটা আসল সময়

বর্তমানে ভোটে দাঁড়ানো মানে এই দুই মাস তিনি প্রত্যেকের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ঘুরে একবার দেখা করবেন ও হাসি মুখে আপনার বাড়ির বাসন মেজে দিতে পারবেন। কিন্তু এটা তো ওনার কাজ নয়, ওনার কাজ কিভাবে পশ্চিমবঙ্গ বাসিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে। তার ভিশন তার গোল তিনি পরবর্তী পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গে কে কোন জায়গায় নিয়ে যেতে চান যেমন একজন বলেই ফেললেন তিনি তার এলাকায় একটি পার্ক বানাতে চান যেখানে কয়েকটি ময়ূর হরিণ সহ কয়েকটি বন্যপ্রাণী থাকবে।। বর্তমানে রাজনীতির বিদদের তো কোন গোল বা ভিশন নেই তারা তো একজনকেই চেনেন আমরা দিদির সৈনিক দিদি বা দাদাই জানেন পরবর্তী পাঁচ বছরে এই রাজ্যবাসীর কি হবে আমাদের কোন গোল বা ভিশন নেই আপনাদের প্রতি আমরা কেবলমাত্র কয়েকটি সমাজসেবী ও বিজনেসম্যান দের জন্য কাজ করে যাব।

পশ্চিমবঙ্গ বাসীরা উচ্চ শিক্ষিত হয়ে কি করবে বলুন রাজনৈতিক নেতাদের কোন গোল ভিশন ই নেই তো আপনারা কি করবেন। সকলেরই ইচ্ছা হয় পশ্চিমবঙ্গ অর্থনীতিতে বা উৎপাদনে এক নম্বরে না হোক অন্তত দুই তিনে থাক। পশ্চিমবঙ্গ একদম পেছনের দিক থেকে এক দুই তিনে থাকে। আমাদের এটা কে আবার রিভার্স করে প্রথমে দিক থেকে এক দুই দিনে থাকতে হবে।

আমাদের পুরনো প্রজন্মের রাজনীতিবিদরা যা ভুল করে গেছে তা আর রিপিট করতে দেওয়াটা আমাদের বোকামি। তরুণ পাল্টাই এবং প্রকৃত ক্যান্ডিটকে ভোট দানের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গকে আবার পুনরায় গঠিত করুন।

এই রাজ্যে চাকরির জন্য হাইকোর্টে যেতে হয় তাও রাজ্য সরকার দিতে ব্যর্থ হাইকোর্টের রায় থাকা সত্ত্বেও। আবার যারা চাকরি করছে তাদের দিয়ে অথবা মাইনের টাকা সম্পূর্ণভাবে দিচ্ছে না এই রাজ্য সরকার তার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে ও সুপ্রিম কোর্টে আদেশ আছে তা মিটানোর জন্য রাজ্য সরকার তাস সে মাস্ট নেহি হোতা। কলকাতার মেট্রো লাইনকে জোড়ার জন্য মাত্র ৩০০ মিটারের একটা গ্যাপ রয়েছে যার জন্য রেল দপ্তর হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গেছে দু বছর আগে রেলের পক্ষে রায়দান করা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার একি আই ডোন্ট কেয়ার। এই রাজ্য সরকার তো রাজ্যের জনগণের জন্য নয় তারা তো কিছু তোলাবাজি কিছু সমাজসেবী কিছু বিজনেসম্যানের জন্য সর্বদা কাজ করে যাচ্ছে ।

হ্যাঁ এটা ভালো এই রাজ্য সরকার কাজ করছে তা রাজ্যবাসীদের জন্য নাই হতে পারে বিশেষ কিছু ব্যক্তিবর্গের জন্য তো করছে।।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তো বলেই ফেললেন যারা বিজেপি করবেন তাদেরকে মাফ চাইতে হবে তিনি পুনরায় মুখ্যমন্ত্রী হয়ে আসলেন এটা তো একপ্রকার সরাসরি ভোটের কোড অফ কন্ডাক্টে উলঙ্গন করা তিনি তো কোন মতেই ভোটে দাঁড়ানোর পক্ষে উপযুক্ত ক্যান্ডিড নন। তিনি মানসিকভাবে অসুস্থ। আর যদি তিনি সুস্থ হন এবং তিনি একজন লইয়ারো ও তিনি আইন সম্পর্কে আরও বেশি বোঝেন ও জানেন তাহলে বুঝতে হবে বারবার আইন লঙ্ঘন করাই তার একটা নেশা

একজন এসএসসি পাশ করা ক্যান্ডিডেট ২০১২ সালের হাইকোর্টে কেস ও হয়। ওই কেসে আমার পক্ষে রায়দান করে কলকাতা হাইকোর্ট তারপর থেকে সবই ইতিহাস বর্তমান আর হয়নি। কারণ এই বর্তমান সরকার চুরিতে বিশ্বাসী রাজ্যবাসীব ওপর অন্যায় অত্যাচার করাতে বিশ্বাসী। হাইকোর্ট সুপ্রিম কোর্টের রায় কে বারবার অবমাননা করায় বিশ্বাসী। আর তার জন্য রাজ্যবাসী করের টাকায় বড় বড় উকিলকে দাঁড় করানো তারপরও হেরে গিয়েও সেই রায় কে বাস্তবায়িত না করাই বিশ্বাস এই বর্তমান রাজ্য সরকার।

এই রাজ্যের সকল ব্যক্তির জীবন জীবিকা বেঁচে থাকার অধিকার স্বাধীনভাবে নিঃশ্বাস নেওয়ার অধিকার কে হরণ করেছে। মন থেকে নিজেকে প্রশ্ন করা দরকার আমরা কি প্রকৃত স্বাধীন রয়েছি, মনকে প্রশ্ন করে তারপর ভোটটা দান করুন প্রকৃত ক্যান্ডিডেট কে।

ভোটের ক্যান্ডিডেট হিসাবে আপনারা আমাকে বেছে নিতে পারেন আমরা কোন সংস্থা থেকে অনুদান পায়নি তাই এই ফুটে শুধু ভিডিও বানানো ছাড়া কোন প্রকার খরচ করার পরিষদ বর্তমান সময়ে নেই। তবে আমি বিশ্বাসী আমি আপনাদের মনের মধ্যে জায়গা করে নিতে পারব খুব তাড়াতাড়ি। তবে হ্যাঁ ভোটের পরে আপনাদের মানসিকভাবে খুশি থাকতে পারবেন এবং জানিবেন আপনারা সঠিক জায়গায় ভোটটা দিয়েছিলেন তাই পশ্চিমবঙ্গের অন্যান্য বিধানসভা ক্ষেত্রে থেকেও এই বিধানসভা ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণ আলাদা ও অনন্য হয়ে দাঁড়াবে।

Vission

বিজনেস করার জন্য সরকারি বিভিন্ন লোন রয়েছে ৪-১২% বছরে ইন্টারেস্টে লোন সাথে ভর্তু কি আছে সেগুলো পেতে আমাদের একটি টিম থাকবে আপনাদের সহযোগিতা করার জন্য শিল্পে ব্যবসাতে আপনাদের কোন সার্টিফিকেট বা লাইসেন্স পেতে যাতে নিজে পায়ে দাঁড়াতে পারেন।।

আমি বিশ্বাসী পশ্চিমবঙ্গবাসী ভারতবর্ষকে তার দিক নির্ধারণ করতে আবার রাস্তা দেখাবে এবং বাঙালিরা খুবই স্মার্ট কোন অপশন না পাওয়ার জন্য তারা অবহেলিত এখন আরো অপশন আছে ভোট প্রদান করার জন্য নিজের ইচ্ছায় পছন্দমত ক্যান্ডিডেট কে ভোট দিন আর যদি আমি আপনাদের পছন্দের ক্যান্ডিড হই তবে এই বিধানসভাটা হবে পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে সবথেকে আলাদা।

এই দেশটি সাধারণ জনগণের জন্য এই দেশের মালিক সাধারণ জনগণ নেতা-নেত্রীরা নয় এটা সাধারণ জনগণকে বোঝা দরকার। আপনি যখন রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে যাবেন ট্রাফিক পুলিশ আপনাকে সম্মানের সাথে কথা বলবে আপনাকে সর্বদা স্যার বা ম্যাডাম বলে কথা বলবে। যেকোনো সরকারি পরিষেবায় যদি অখুশী হন রাইট টু ইনফরমেশন বা RTI একটু অনুযায়ী আপনি কমপ্লেন জানাতে পারেন তার জন্য আমাদের একটি টিম থাকবে বিপিএল কার্ড থাকলে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এটি করা যায়। কোন পরিষেবা এমনকি বেসরকারি পরিষেবায় যদি কোন খামতি থাকে তবে আপনি উপভোক্তা আইনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ আইনি পরিষেবা পাবেন। যেকোনো প্রকার আইনি সাহায্যের জন্য আপনারা আমাদের টিমের সাথে যোগাযোগ করবেন। আর বর্তমানে ফলস কেস কেউ আপনার ওপর করলে এমনকি পুলিশও করলে যে করবে তার শাস্তির বিধান সুপ্রিম কোর্ট ২৬ শে মার্চ ২০২৬ এর এক রায়ে বলার পর থেকে যেখানেই দেখবেন পুলিশ আপনার বিরুদ্ধে কোন ফলস কেস দিচ্ছে আপনি এরা আসুন তাদের বিরুদ্ধে সকল প্রকার আইনি লড়াইয়ে আমরা থাকবো আপনাদের পাশে এর জন্য কোন টাকা আপনাদের দিতে হবে না। যেন আপনার কেসটাও সঠিক থাকে। যেকোনো জায়গায় অসুবিধা হলেই ভিডিও তুলবেন প্রমাণ হিসাবে এমনকি পুলিশ স্টেশন ও আপনি ভিডিও তুলতে পারেন। তবে আপনার কথা বলার ভাষা মার্জিত রুচিসম্পন্ন হতে হবে। হাইওয়ে হবে বাধা মুক্ত আর রাজের ব্যারিকেট হাইওয়ের বদনাম ঘুচিয়ে অগ্রগতিতে হবে আরো এগিয়ে

Mission

ভোটের সময় নেতাদের মনে পরে রাস্তা ঠিক করার কথা। এটা তো পঞ্চায়েত বা মিউনিসিপালিটি কাজ – তারা নিজ নিজ এলাকার রাস্তাঘাট ঠিক করা।। আর রাজ্য সড়ক রাজ্যের জাতীয় সড়ক কেন্দ্র সরকারের। কিন্তু এই ভোটের আগে রাস্তা ঠিক করার কাজটা মনে পড়ল। এটা বিধায়কের কাজ নয় , রাস্তা মেরামত, নর্মদা পরিষ্কার করা একটি পার্ক বানানো এগুলো কাজের মধ্যে পড়ে না। রাজ্যবাসী কর্মসংস্থান তৈরি করা ও ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো ও পরিবেশ তৈরি করা বা মেন্টেন করা। নতুন কর্মসংস্থানের জন্য নতুন রাস্তাঘাট নির্মাণ জলে ও বিদ্যুতের যোগান সাথে তাদের স্বাস্থ্যের জন্য নতুন হসপিটাল নির্মাণ এবং তাদেরকে সম্মোহিমায় কাজের জন্য প্রয়োজনীয় কাঠামো তৈরি করা। যাতে কাউকে সামান্য চিকিৎসার জন্য জেলা থেকে কলকাতা বা অন্য রাজ্যে যেতে না হয়।

ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপ কয়েক মিনিটের জন্য বন্ধ থাকলে একটা খবর হয়ে যায় কিন্তু সরকারি পরিষেবা পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অ্যাপ গুলো দিনের পর দিন বন্ধ অচল হয়ে থাকে যেগুলো চলে সেগুলো সার্ভার ঠিকঠাক করে মেইনটেন থাকে না।

দুয়ারে সরকারের প্রকৃত অর্থ হওয়া উচিত যে কোন ক্যাফেতে গিয়ে ১০ টাকা থেকে ৫০ টাকার বিনিময় যেকোনো ধরনের পরিষেবা পেতে বা অ্যাপ্লিকেশন জমা দিতে পারে। শুধু শুধু বিভিন্ন ক্যাম্প তৈরি করে মানুষকে হয়রানি স্বীকার করা উচিত নয়। জানি অনেকেই এখনো ডিজিটাল হতে পারেনি কিন্তু ক্যাফে তে গিয়ে সহজে এই পরিষেবা গুলো নিতে পারে এবং প্রতিটি ক্যাফে হয়ে উঠবে সরকারি পরিষেবা কেন্দ্র।

বর্তমানে এই রাজ্য সরকারের দোষ গুণ আলোচনার জন্য এখানে আসেনি। কারণ হাইকোর্টের রায় এই রাজ্য সরকার মানে না সেখানে এদের দোষ বিচার করে কোন লাভ হবে না তাই ভবিষ্যতের ভালোর জন্য সঠিক পদক্ষেপ নিন এবং সঠিক জায়গায় ভোট দিন আপনাদের কাছে অনুরোধ ভোট টি দিন সঠিক জায়গায় দিন এবং আপনাদের উপযুক্ত কেন্দ্রিক হিসেবে যদি মনে হয় আমাকে দিতে পারেন। সবাই ভালো থাকবেন আশা করি শপথ নেওয়ার পর এই রাজ্যের ভালো কাজের অংশীদারি হিসাবে কাজ করতে পারবো। এবং রাজ্য তথা দেশবাসী উপকৃত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *